ফ্রান্সের দূতাবাস বন্ধ করার ধাবিতে এক

ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্নসহ দেশটির রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। একইসঙ্গে ফ্রান্সের দূতাবাস বন্ধে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে সংগঠনটি।

সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুর ফ্রান্স দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচির মিছিল শেষে এ ঘোষণা দেন হেফাজতের মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী।


বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে এই সমাবেশ শুরু হয়। সমাবেশ শেষে ফ্রান্স দূতাবাস অভিমুখে মিছিল নিয়ে রওয়ানা করেন তারা।

পল্টন, নাইটিঙ্গেল মোড়, কাকরাইল হয়ে বেলা পৌনে ১টার দিকে শান্তিনগর মোড়ে এসে তারা পুলিশের ব্যারিকেডে আটকে যান। পরে সেখানে অবস্থান নিয়ে সমাবেশ করেন বিক্ষোভকারীরা।

সমাবেশে জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, আমরা চাই আমাদের সরকার আরও ১০০ বছর থাকুক। কিন্তু আমাদের দাবি পূরণ করে ক্ষমতায় থাকতে হবে। সাংবাদিক, গোয়েন্দা বাহিনীর প্রতি শুকরিয়া আদায় করছি। আপনাদের কথা রক্ষা করে এখানেই থেমে গেলাম। প্রয়োজনে আগামী কর্মসূচিতে এখানে থামবো না। ফ্রান্সের দূতাবাসকে টুকরো টুকরো করিয়ে ছাড়বো, ইনশাল্লাহ।

এ সময় ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করা, বাংলাদেশে ফ্রান্সের দূতাবাস বন্ধ করা, ফরাসি পণ্য বর্জন এবং সংসদে নিন্দা প্রস্তাব পাস করার দাবি জানান হেফাজত মহাসচিব।

সভাপতির বক্তব্যে আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী বলেন, ফ্রান্সে হজরত মোহাম্মদকে (সা.) অবমাননার প্রতিবাদে বাংলাদেশেই সবচেয়ে বেশি প্রতিবাদ হয়েছে। অথচ সরকার নীরব। এই নীরবতার রহস্য কী, জনগণ জানতে চায়।

হেফাজত নেতারা বলেন, আজ মুসলামন ও ঈমানদের পক্ষে যদি সরকার ঐক্যমত পোষণ করে সংসদে নিন্দা প্রস্তাব পাস করতে ব্যর্থ হয়, তা হলে এ দেশের জনগণ এই সরকারকে ক্ষমতায় থাকতে দেবে না।





5.6k
Shares
facebook sharing buttonmessenger sharing buttontwitter sharing buttonpinterest sharing buttonlinkedin sharing button

ঘটনাপ্রবাহ : ফ্রান্সে ইসলাম অবমাননা
১ ঘ. আগে
ম্যাক্রোঁর সমালোচনা: মিসরে ইমাম গ্রেফতার
৫ ঘ. আগে
এবার ম্যাক্রোঁর পক্ষে আমিরাতের মন্ত্রীর সাফাই
০২ নভেম্বর, ২০২০
ফ্রান্সে অ্যামাজনের ‘ব্ল্যাক ফ্রাইডে’ বিজ্ঞাপন বন্ধ
০২ নভেম্বর, ২০২০
ইসলামাবাদে ফরাসি দূতাবাসে হামলার চেষ্টা
০১ নভেম্বর, ২০২০
হেফাজতের ঘেরাও কর্মসূচি কাল, সফলের আহ্বান বাবুনগরী-কাসেমীর
০১ নভেম্বর, ২০২০
ফ্রান্সকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানাল ইরানের সংসদ
০১ নভেম্বর, ২০২০
সুর নরম করলেও দুঃখ প্রকাশ করেননি ম্যাক্রোঁ
০১ নভেম্বর, ২০২০
মহানবী (সা.)-এর কার্টুন প্রকাশ ধর্মবিদ্বেষকে উসকে দেয়ার মতো অপরাধ: বিএনপি
০১ নভেম্বর, ২০২০
ফ্রান্সে গির্জার সামনে যাজককে গুলি
৩১ অক্টোবর, ২০২০
তীব্র প্রতিক্রিয়ার মুখে সুর নরম করলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট
৩১ অক্টোবর, ২০২০
মতপ্রকাশের স্বাধীনতার মাত্রা থাকা উচিত: জাস্ট্রিন ট্রুডো
৩১ অক্টোবর, ২০২০
মহানবীকে অবমাননা: ইতালিতে প্রকাশ্যে আজান দিয়ে প্রতিবাদ
৩১ অক্টোবর, ২০২০
‘রাশিয়া আংশিক মুসলিম রাষ্ট্র’
৩১ অক্টোবর, ২০২০
ফ্রান্সবিরোধী বিক্ষোভ, কংগ্রেস নেতাসহ মুসলিমদের বিরুদ্ধে ভারতে মামলা
৩১ অক্টোবর, ২০২০
সেই ব্যঙ্গচিত্রের তীব্র নিন্দা জানাল রাশিয়া

আরও খবর

পুরান ঢাকার বাবু বাজার বুড়িগঙ্গা দ্বিতীয় সেতুর নিচে খেলার মাঠটি উন্মুক্ত
অবশেষে ফিরিয়ে দেয়া হলো বাবু বাজার খেলার মাঠ
ডা. মুহাম্মদ আবদুর রহিম। ফাইল ছবি
হিজাব পরার নির্দেশনা দেয়া জনস্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটের সেই পরিচালক ওএসডি
কাল শেষ হচ্ছে ইলিশ শিকারের নিষেধাজ্ঞা
কাল শেষ হচ্ছে ইলিশ শিকারের নিষেধাজ্ঞা
মধ্য ও উত্তর বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপটির অবস্থান দুর্বল
মধ্য ও উত্তর বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপটির অবস্থান দুর্বল
Sponsored Content
‘হেঁটে হেঁটে’ চলে গেল ৫ তলা ভবন! (ভিডিও)
‘হেঁটে হেঁটে’ চলে গেল ৫ তলা ভবন! (ভিডিও)
Jugantor.com
গ্রেফতারের আগে হাজী সেলিমপুত্র ইরফানের কাণ্ড!
গ্রেফতারের আগে হাজী সেলিমপুত্র ইরফানের কাণ্ড!
Jugantor.com
ট্রাম্পের চেয়ে ১০ পয়েন্ট এগিয়ে বাইডেন
ট্রাম্পের চেয়ে ১০ পয়েন্ট এগিয়ে বাইডেন
Jugantor.com
ডিসেম্বরে পৌরসভা নির্বাচন: সিইসি
ডিসেম্বরে পৌরসভা নির্বাচন: সিইসি
Jugantor.com
ফরাসি পণ্য বয়কটের ডাক দিয়ে যা বললেন জাকির নায়েক
ফরাসি পণ্য বয়কটের ডাক দিয়ে যা বললেন জাকির নায়েক
Jugantor.com
নিজের ৩ কোটি টাকা দামের মার্সিডিজ পুড়িয়ে ভাইরাল যুবক (ভিডিও)
নিজের ৩ কোটি টাকা দামের মার্সিডিজ পুড়িয়ে ভাইরাল যুবক (ভিডিও)
Jugantor.com
বিয়ের ৮ দিন পর ‘লাপাত্তা’ নববধূ
বিয়ের ৮ দিন পর ‘লাপাত্তা’ নববধূ
Jugantor.com
‘ছেলে ডাক্তার হয়েছে, তাও বলতে পারলো না বাবা-মা’
‘ছেলে ডাক্তার হয়েছে, তাও বলতে পারলো না বাবা-মা’
Jugantor.com
ফাউসিকে ছেঁটে ফেলার ইঙ্গিত ট্রাম্পের
ফাউসিকে ছেঁটে ফেলার ইঙ্গিত ট্রাম্পের
Jugantor.com
মহানবীকে নিয়ে কটূক্তি, জবি ছাত্রী বহিষ্কার
মহানবীকে নিয়ে কটূক্তি, জবি ছাত্রী বহিষ্কার
Jugantor.com
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
ট্রাম্পের জন্য ভারতে পূজা
ট্রাম্পের জন্য দিল্লিতে পূজা আর কমলার তামিলনাডুতে
ডা. সাবরিনার জামিন আবেদন খারিজ
ডা. সাবরিনার জামিন আবেদন খারিজ
রাজশাহী
স্কুলের নৈশপ্রহরীর চাকরির জন্য ৩ লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে ঘুরছেন প্রতিবন্ধী
কুসুম
কবিতা দিয়ে নীরবতা ভাঙলেন কুসুম শিকদার
পদ্মা সেতু সংলগ্ন মাঝের চরে নদীভাঙনে ২ শতাধিক পরিবার গৃহহীন
পদ্মা সেতু সংলগ্ন মাঝের চরে নদীভাঙনে ২ শতাধিক পরিবার গৃহহীন
জেল
কানের দুলের জন্য শিশু হত্যা, যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
যবিপ্রবি
‘বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে করোনা সেবায় প্রথম অবদান যবিপ্রবির’
রায়ান গিগস
স্ত্রীকে নির্যাতন করে গ্রেফতার ম্যানইউ কিংবদন্তি
সব খবর

আরওঃ হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ

সমাবেশ
মহানবীর (সা.) ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের প্রতিবাদে বায়তুল মোকাররমে হেফাজতের বিক্ষোভ
হেফাজত
হেফাজতের ফরাসি দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচি আজ
হেফাজতের ঘেরাও কর্মসূচি কাল, সফলের আহ্বান বাবুনগরী-কাসেমীর
হেফাজতের ঘেরাও কর্মসূচি কাল, সফলের আহ্বান বাবুনগরী-কাসেমীর
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী।
ধর্ষণ, নারী নির্যাতন রোধে পর্দা বাধ্যতামূলক করার দাবি বাবুনগরীর
হেফাজতের পরবর্তী আমীর বিষয় নিয়ে যা বললেন বাবুনগরী
হেফাজতের পরবর্তী আমীর নিয়ে যা বললেন বাবুনগরী
footer_logo
goole-play
converter
আজকের পত্রিকা রাজনীতি
রাজধানী জাতীয়
আন্তর্জাতিক সারাদেশ
খেলা অর্থনীতি
বিনোদন লাইফ স্টাইল
আইটি বিশ্ব ডাক্তার আছেন
চিত্র বিচিত্র শিক্ষাঙ্গন
পরবাস একদিন প্রতিদিন
সম্পাদকীয় দৃষ্টিপা
সম্পাদকঃমুজাহিদ বিন সিদ্দিক

সোমবার রাতে গ্রীন বাংলা অফিসে কি করেছিলেন পলাতক আকবর

ক্রাইম সিলেট ডেস্ক :: চাঁদা না পেয়ে সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে রায়হান নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় সাময়িক বরখাস্ত উপপরিদর্শক (এসআই) আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। নাম প্রকাশ না করার শর্তে পুলিশের একাধিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, পুলিশি হেফাজতে রায়হানের উপর নির্যাতনের ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পরই গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি ফাঁড়ি থেকে পালিয়ে যান। রায়হানের মৃত্যুর ঘটনার প্রধান সন্দহভাজন অভিযুক্ত পলাতক এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে গতকাল সোমবার জিন্দাবাজার ওয়েস্টওয়ার্ল্ড মার্কেটে একটি ইউটিউব চ্যানেল গ্রিন বাংলার অফিসে রাত ৯ টা থেকে ১১টা পর্যন্ত দেখা যায়।

এ নিয়ে সিলেটজুড়ে বিরুপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। যেখানে গ্রীন বাংলা চ্যানেলের অভিনেতা মুরাদ দায় নিতে নারাজ সেখানে কিভাবে সন্দেহভাজন অভিযুক্ত আসামীকে নিজের অফিসে ২ ঘন্টা রাখেন। সামাজিক যোগাযোগে মাধ্যমে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে গ্রীন বাংলা চ্যানেলের সাথে সম্পৃক্তদের তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছে সর্বমহল। তারা বলছে একজন সন্দেহভাজন আসামিকে কিভাবে তাদের অফিসে যায়গা দেয়। এদিকে বেলাল মুরাদ আহমদ গ্রীণ ভিডিও বার্তায় অপরাধীদের আইনগত শাস্তির দাবি জানান। প্রশ্ন উঠছে একদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুরাদের গ্রীন বাংলা অপরাধীদের শাস্তি কামনা করছে অন্যদিকে ঠিকই তারা এসআই আকবরকে আশ্রয় দিয়ে সাহায্য করছে প্রসঙ্গত,গত রোববার ভোরে রায়হান উদ্দিন (৩৩) নামে সিলেট নগরের আখালিয়ার এক যুবক নিহত হন। পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ছিনতাইয়ের দায়ে নগরের কাষ্টঘর এলাকায় গণপিটুনিতে নিহত হন রায়হান। এদিকে রায়হানের পরিবারের অভিযোগ পুলিশের নির্যাতনে খুন হয়েছেন রায়হান।রায়হানের পরিবারের সূত্রে জানা যায়, নগরের মিরের ময়দান এলাকায় শাহজালাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এক চিকিৎসকের সহকারি হিসেবে কাজ করতেন রায়হান। তিনি নগরের নগরের আখালিয়া এলাকার নেহারিপাড়ার মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে বাসিন্দা।(লেখক _মুজাহিদ বিন সিদ্দিক

হাটহাজারী মাদ্রাসা বন্ধের সরকারি ঘোষণা প্রত্যাখান করেছে শিক্ষার্থীরা

হাটহাজারী মাদ্রাসা বন্ধের সরকারি ঘোষণা প্রত্যাখান করেছে শিক্ষার্থীরা ডেস্ক এডিটর  বার্তা বাজার
 প্রকাশিত: ৮:১৭ অপরাহ্ণ, বৃহঃ, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০

 Share
ফাইল ছবি
চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদ্রাসা বন্ধের সরকারি ঘোষণা প্রত্যাখান করেছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। আজ (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এই আদেশ দিলে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা মসজিদের মাইকে ঘোষণা দেন সরকারের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখানের।
তারা বলেন, আমাদের মাদ্রাসা সরকারি নয়। তাই এই মাদ্রাসা বন্ধের সিদ্ধান্ত সরকার দিতে পারে না। আমরা এ আদেশ মানি না। মাদ্রাসার শুরার সদস্যরা বৈঠকে মাদ্রাসা বন্ধের সিদ্ধান্ত দিলে আমরা তা মেনে নিব। অন্যথায় আন্দোলনের দাবানল জ্বলে ওঠবে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা।
এদিকে সন্ধ্যার পর সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে মাদ্রাসার পরিচালনার দায়িত্বে থাকা শুরা সদস্যদের 

সুইডেনে প্রকাশ্যে কুরআনের গায়ে আগুন নিরব কেন মুসলমান ? এই নিয়ে কোনা শালেশ্বের থেকে এক বিক্ষোভ মিশিল

সিলেটের প্রতিনিধি

সুইডেন ও ডেনমার্কে পবিত্র কোরআন শরিফ কে লাতি মেরে আগুন দিয়ে পুরিয়ে অবমাননা করার প্রতিবাদে .কোনা সালেশ্বর গ্রামের সর্বস্তরের তাওহিদী জনতার উদ্যোগে . আজ রবিবার বাদ আছর বিক্ষোভ মিছিল . ও প্রতিবাদ সভা গ্রামের যুবক মুরব্বি সহ প্রায় ২০০শতাদিক মানুষের উপস্তিতে . অনুষ্ঠিত হত .
মাওলানা. ইমরান সিদ্দিকি পাভেল এর পরিচালনায় ,
কোনা সালেশ্বর দক্ষিন জামে মসজিদের ইমাম .ও খতিব মাওলানা.আব্দুল আজিয এর সভাপতিত্বে . কোরআনে কালাম থেকে তেলাওয়াত করেন হাফিজ নুরুল আমিন .স্বাগত বক্তব্য রাখেন উওর জামে মসজিদের ছানি ইমাম. আল আমিন আল জিহাদ. বক্তব্য রাখেন . কোনা সালেশ্বর উওর জামে মসজিদের ইমাম . মুফতি ইমাম উদ্দিন . আব্দুল কুদ্দুস. উপস্তিত ছিলেন . পশ্চিম মহল্লা জামে মসজিদের ইমাম . মাওঃ নুর উদ্দিন. আব্দুর রহিম. আব্দুল কাদির .ফাহাদ আহমদ. নাইম আহমদ. সালমান আহমদ. কামরান আহমদ. সুমন আহমদ. আকমল হোসেন. ফাহিম আহম_..সিলেটের প্রতিনিধি(লেখকঃমুজাহিদ বিন সিদ্দিক) 01768395528







প্রচ্ছদ
 ইসলাম ও জীবন




ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা মাওলানা হুসাইন আহমদ মাদানী

  মুহাম্মাদ রবিউল হক ১৬ আগস্ট ২০২০, ০৮:৩১ পিএম | অনলাইন সংস্করণ







এক সময় উপমহাদেশ পরাধীন ছিল। এই দেশকে স্বাধীন করার জন্য আলেমগণ ময়দানে অবতীর্ণ হোন। তারা ভারতবর্ষের স্বাধীনতার জন্য সম্মুখসমরে লড়াই করেছেন।




ইমাম শাহ্ ওয়ালিউল্লাহ স্বাধীনতার খসড়া রূপরেখা তৈরি করেন। সিরাজুল হিন্দ শাহ্ আব্দুল আযীয এর নীতিমালা প্রণয়ন করেন। সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বিপ্লবের সূচনা করেন।
হাজী ইমদাদুল্লাহ্,রশীদ আহমদ গাঙ্গুহি ও কাসেম নানুতবী শামেলির ময়দানে যুদ্ধের নেতৃত্ব দেন। শায়খুল হিন্দ এই দেশের স্বাধীনতার জন্য আফগান,মস্কো,জার্মান,তুর্কি ও হেযাযসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ সফর করে ও তার ছাত্রদের পাঠিয়ে বিশ্বব্যাপী জনমত গঠন করেন।
উবায়দুল্লাহ সিন্ধী ভারতের স্বাধীনতার জন্যে দীর্ঘ ২৩ বছর স্বেচ্ছায় নির্বাসিত জীবনযাপন করেন।
ভারতের স্বাধীনতার সূচনা ১৯৫৭ সাল থেকে নয় বরং ১৮০৩ সাল থেকে শুরু হয়। এই স্বাধীনতা ভারতবর্ষের আলেমগণের দীর্ঘ সংগ্রাম,ত্যাগ আর জীবনের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে। শত শত আলেম ফাঁসির দড়িতে ঝুলে শাহাদাতের অমীয় সুধা পান করেছেন।
হাজার হাজার আলেম মাল্টা ও আন্দামানে দ্বীপান্তারিত হয়েছেন। মহাত্মা গান্ধীকে সারা দেশে পরিচিত করতে মাওলানা শওকত আলী,মাওলানা জওহর আলী এবং মাওলানা আবুল কালাম আজাদ কলম ও বাগ্মিতার শক্তি প্রদর্শন করেছেন।
শায়খুল হিন্দ নিঃস্বার্থ নির্লোভ একদল আলেম যারা জীবনের সকল সুখ শান্তি,জাগতিক আরাম-আয়েশ, ঘরবাড়ি সব কিছু দেশ ও জাতির মুক্তির জন্য উৎসর্গ করেছিলেন তাদের নিয়ে ‘জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ’ প্রতিষ্ঠা করেন।
তার উত্তরসূরিদের মধ্যে হুসাইন আহমদ মাদানী, কিফায়েত উল্লাহ দেহলবি, আহমদ সাঈদ,হিফযুর রহমান সিহরাবি,আবুল মাহাসিন সাজ্জাদ প্রমুখ এর হাল ধরেন ও দেশকে স্বাধীনতায় পৌঁছে দেন।
বিশেষ করে শায়খুল ইসলাম হুসাইন আহমদ মাদানী ভারতের স্বাধীনতার প্রশ্নে কখনো ব্রিটিশদের সঙ্গে আপোস করেননি।
মাওলানা হুসাইন আহমদ মাদানী ১৮৭৯ সালে ভারতের উত্তর প্রদেশের উন্নাও জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। পিতা সাইয়্যিদ হাবিবুল্লাহ ছিলেন ফজলে রহমান গঞ্জেমুরাদাবাদীর খলিফা।
প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনের পর তিনি দারুল উলূম দেওবন্দে উচ্চশিক্ষার জন্য আসেন এবং শায়খুল হিন্দের কাছে হাদীস,তাফসীর ও ফিকহে ব্যুৎপত্তি অর্জন করেন।
ইংরেজদের নির্যাতন নিপীড়নে অতিষ্ঠ হয়ে তার পরিবার মদীনায় হিজরত করেন। তখন তার মুর্শিদ রশীদ আহমদ গাঙ্গুহি তাকেও হিজরত করে মদীনায় গিয়ে হযরত হাজী ইমদাদুল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাতের আদেশ করেন।
মাওলানা হুসাইন আহমদ মদীনায় রওজা শরীফের পাশে দীর্ঘ ১৮ বছর হাদীস,তাফসীর ও চার মাযহাবের ফিকহের দরস প্রদান করেন। তিনি সেখানে শাহ্ ওয়ালিউল্লাহর গবেষণার আলোকে লেকচার প্রদান করতেন।
পাশাপাশি তিনি কাসেম নানুতবী ও শায়খুল হিন্দের তাহকীকাত পেশ করতেন এবং মাঝেমধ্যে আবেগে আপ্লুত হয়ে বলতেন, ‘আমাদের হিন্দুস্থানের শায়খ এভাবে ব্যাখা করেছেন’।
ফলে হেযাযভূমির আন্তর্জাতিক ছাত্র ও শায়খদের নিকট শায়খুল হিন্দ খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেন এবং ছাত্ররা তার সাক্ষাত লাভ করে হাদীসের সনদ অর্জনের প্রতিক্ষায় থাকতেন।
তার জ্ঞান ও পাণ্ডিত্যে মুগ্ধ হয়ে আরবের শায়খগণ তাকে ‘শায়খুল ইসলাম’ উপাধিতে ভূষিত প্রদান করেন।
হযরত শায়খুল হিন্দ ১৯১৫ সালে মদিনায় গমন করে খলিল আহমদ সাহারানপুরি ও হুসাইন আহমদ মাদানীকে রেশমী রুমাল আন্দোলনের পরিকল্পনার কথা জানালে তারা সানন্দে তার সহযোগী হোন।
পরবর্তীতে মক্কায় ব্রিটিশদের অনুগত শরীফ হুসাইন বয়োবৃদ্ধ শায়খুল হিন্দকে গ্রেফতার করলে হযরত মাদানী উস্তাদের সেবার জন্য স্বেচ্ছায় কারাবরণ করেন।
দীর্ঘ তিন বছর ৭ মাস মাল্টায় নির্বাসনে থেকে ১৯২০ সালে মুক্তিলাভ করেন। এসময় তিনি সম্পূর্ণ কোরআনের হিফজ সম্পন্ন করেন।
শায়খুল ইসলাম আজীবন শায়খুল হিন্দের নীতি ও আদর্শের ভিত্তিতে রাজনীতি করেছেন।
মাল্টার বন্দিজীবন থেকে ভারতবর্ষে প্রত্যাবর্তনের পর শায়খুল হিন্দ অনেক অসুস্থ হয়ে পড়েন, তখন তিনি তাকে তার পূর্বসূরি হিসেবে তার হাতে ভারতের স্বাধীনতা, বিপ্লব আর আযাদী আন্দোলনের অসমাপ্ত দায়িত্ব অর্পন করেন।
ফলে তিনি ভারতবর্ষে থেকে যান এবং বিভিন্ন মাদরাসায় হাদীসের দরস প্রদানের পরে ১৯২৭ সালে দারুল উলুম দেওবন্দের ‘সদরুল মুদাররিসীন’ পদ অলংকৃত করেন।
আমৃত্যু তিনি দেওবন্দে সহীহ বুখারী ও জামে তিরমিজীর দরস প্রদান করেছেন। তার কাছে নিয়মিত দরসের মাধ্যমে ৪৪৭৩ জন আলেম হাদীসের সনদ অর্জন করেন। (কারী মুহাম্মদ তায়্যিব,তারীখে দারুল উলুম দেওবন্দ, খণ্ড-২,পৃ-২০৯)
শায়খুল হিন্দের মৃত্যুর পরের সময় ছিল স্বাধীনতা আন্দোলনের সবচেয়ে জটিল ও স্পর্শকাতর মুহূর্ত।
হুসাইন আহমদ মাদানী পরম অবিচলতা ও বহু ত্যাগ-তিতিক্ষার বিনিময়ে আকাবির উলামার পবিত্র আমানত ১৯৪৭ সালে সাফল্যের চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছে দেন।
তিনি ১৯১৬ সাল হতে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত মোট ৩১ বছর স্বাধীনতা সংগ্রাম করেন। এর মধ্যে ৮ বছর অতিবাহিত হয় ইংরেজদের জেলখানায়।
করাচীর জেলে তার প্রদত্ত ভাষণ সারা দেশে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। (ড. মুশতাক আহমদ,শায়খুল ইসলাম সাইয়্যিদ হুসাইন আহমদ মাদানী,পৃ-৩০১)
আরবে এবং মাল্টার কারাগারে থাকা অবস্থায় হযরত মাদানীর আন্তর্জাতিক নেতৃবৃন্দ ও রাজবন্দীদের সঙ্গে আলোচনার সুযোগ হয়।
ফলে তিনি বিশ্ব পরিস্থিতি ও আন্তর্জাতিক রাজনীতির সুস্পষ্ট ধারনা নিতে সক্ষম হোন এবং বিগত অষ্টাদশ, ঊনবিংশ ও বিংশ শতকে মুসলিম ভূখণ্ডে ইউরোপীয় সাম্রাজ্যবাদের জুলুম ও চক্রান্ত তার অজানা ছিল না।
এজন্য তার দর্শন ছিল ভারতের সকল জাতি, ধর্ম,বর্ণ মিলে আগে ব্রিটিশদের থেকে স্বাধীনতা অর্জন করতে হবে তারপর শরীয়াহ আইন কায়েমের সংগ্রাম পরিচালনা করা হবে।
তিনি মনে করতেন ভারত ভাগের মাধ্যমে সাম্রাজ্যবাদী গোষ্ঠী উপমহাদেশের উপর আজীবন ছড়ি ঘুড়াতে চায় (বিস্তারিত জানতে পড়ুন, নকশে হায়াত ও মাকতুবাতে শায়খুল ইসলাম)।
কিন্তু ব্রিটিশদের খেতাবপ্রাপ্ত কবি স্যার ইকবাল ১৯৩০ সালে মুসলিম লীগের লাহোর অধিবেশনে মুসলমানদের জন্য পৃথক ভূখণ্ডের প্রস্তাব উপস্থাপন করেন আর কেমব্রিজ ফেরত চৌধুরী রহমত আলী ঐ ভূখণ্ডের নাম পাকিস্তান বলে প্রচারনা শুরু করেন।
এ দিকে জিন্নাহ ১৯২০ সাল হতে ১৯৩০ সাল পর্যন্ত কংগ্রেসের রাজনীতি করেন কিন্ত মাহাত্মা গান্ধীর ব্যক্তিত্বের কারণে কংগ্রেসের রাজনীতিতে সফলতা দেখতে না পেয়ে মুসলিম লীগে যোগ দান করেন।
লিয়াকত আলী খানের পরামর্শে ১৯৩৩ সাল হতে দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে দেশভাগের প্রচারণা শুরু করেন। যদিও ব্যক্তি জীবনে জিন্নাহ কখনো শরীয়ত পালন করতেন না বরং জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত মদ্যপানে অভস্ত্য ছিলেন। (ভবানী প্রসাদ চট্টোপাধ্যায়,দেশ বিভাগঃ পশ্চাৎ ও নেপথ্য কাহিনী, পৃ-৩৩)
ইতিহাস পর্যালোচনা করে বুঝা যায় ‘দ্বিজাতিতত্ত্ব’ লন্ডন থেকে আমদানি করা হয়েছে এবং এর প্রচার-প্রসারের দায়িত্ব অক্সফোর্ড ও কেমব্রিজের প্রাক্তনরাই পালন করেছে।
জিন্নাহর একনিষ্ঠ ভক্ত কবি ড. ইকবালের স্বভাবে দ্বিমুখিতা দেখা যায়।
তিনি একবার বলেন, ‘ছারে জাহান হামারা,হিন্দুস্তান হামারা… ’ আবার তিনিই হিন্দু দেবতা রামের গুণকীর্তনে বলেন, ‘হে রামকে উযুদ পে হিন্দুস্তান কো নাঝ,আহলে নজর সমঝতে হে উস কো ইমামে হিন্দ’।
আবার তিনিই দ্বিজাতিতত্ত্বের ফর্মুলা দিয়ে ভারতবর্ষের হাজার হাজার হিন্দু-মুসলিমকে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিলেন।
হুসাইন আহমদ মাদানীর দর্শন ছিল, বর্তমান বিশ্বের বাস্তবতায় জাতীয়তা (কওমিয়্যাত) ভূখন্ডের নিরিখে নিরূপিত হচ্ছে। বংশ কিংবা ধর্মের নিরিখে নয়।
স্যার ড. ইকবাল কওম ও মিল্লাত শব্দের পার্থক্য না বুঝে হযরত মাদানীকে ব্যঙ্গ করে কবিতা রচনা করেন।
অথচ কওম শব্দে ব্যাপকতা রয়েছে। এর অর্থ অঞ্চল,ভূখণ্ড কিংবা ভাষাভিত্তিক জনসমষ্টি। আর মিল্লাত শব্দের অর্থ ধর্ম ও ধর্মীয় বিশ্বাসভিত্তিক জনসমষ্টি,এর অর্থে ব্যাপকতা নাই।
ইকবাল সুহায়ল,আজিম আহমদ প্রমুখ কবিগণ ইকবালের কবিতার জবাবে শতকের অধীক কবিতা রচনা করেন। (ড.মুশতাক আহমদ,শায়খুল ইসলাম হুসাইন আহমদ মাদানী, পৃ-২৩৩-২৩৬)
অবশেষে ১৯৪৭ সালে ১০ লাখ হিন্দু-মুসলিমের রক্তের উপর দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে ভারত ভাগ হয়।
জিন্নাহ ও মুসলিম লীগের নেতারা তিন কোটি মুসলিমকে তাদের পূর্বপুরুষদের ত্যাগের বিনিময়ে গড়ে তোলা সভ্যতা-সংস্কৃতির পীঠস্থান ভারতে সংখ্যালঘু করে রেখে পাকিস্তান চলে যান।
কিন্তু অল্প দিনেই উলামায়ে কেরামের স্বপ্নভঙ্গ হয়, যখন তারা বুঝতে পারলেন মুসলিম লীগ ইসলামি শরীয়তের কথা বল তাদের ধোঁকা দিয়েছেন।
দেওবন্দে শাইখ যাকারিয়া কান্ধলবি, আব্দুল কাদির রায়পুরি এসে হযরত হুসাইন আহমদ মাদানীর সঙ্গে পরামর্শ করে ভারতে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান নেন।
এরপর তিনি মাওলানা আজাদ, গান্ধীজি ও নেহরুকে সঙ্গে নিয়ে সংখ্যালঘু মুসলমানের জান-মালের নিরাপত্তা দানের নতুন জিহাদে নেমে পড়েন।
ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে হুসাইন আহমদ মাদানীর ঐতিহাসিক অবদানকে স্মরণ করে ভারতের তৎকালিক রাষ্ট্রপতি ড. রাজেন্দ্র প্রসাদ শাস্ত্রী তাকে ‘পদ্মভূষণ’ খেতান প্রদান করেন।
কিন্তু খোদাভীরু,দেশপ্রেমিক আকাবিরগণের প্রতিনিধি মাদানী বিনয়ের সাথে এই খেতাব ফিরিয়ে দেন এবং একটি ঐতিহাসিক চিঠি লেখেন যা ইতিহাসের অনন্য দলিল হয়ে রয়েছে। (আল জমিয়ত পত্রিকা,শায়খুল ইসলাম সংখ্যা,পৃ-৩২)
ব্যক্তি জীবনে শায়খুল ইসলাম ছিলেন পরিপূর্ণ সুন্নতের পাবন্দি নির্মোহ এবং খোদাভীরু।
যাকারিয়া কান্ধলবি বলেন, ‘আমার পিতা ইয়াহইয়া কান্ধলবি আর হযরত মাদানীর মতো তাহাজ্জুদে আল্লাহর ভয়ে এতো বেশি হাউমাউ করে কাউকে কাঁদতে দেখিনি। মনে হতো কোন শিশুকে পেটানো হচ্ছে আর সে মা মা বলে কাঁদছে।’ (মুহাম্মদ যাইনুল আবিদীন, প্রিয় লেখক প্রিয় বই,পৃ-১৫)
১৯৫৫ সালে শেষবার হজে গমন করলে হেযাযের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে তাকে ‘শায়খুল আরব ওয়াল আজম’ খেতাব দিয়ে প্রবন্ধ-নিবন্ধ ছাপা হয়। মদিনা থেকে বিদায় বেলা তিনি ৩ ঘণ্টা রওজা শরীফে দাঁড়িয়ে অশ্রু বিসর্জন করেন।
১৯৫৭ সালে স্বাধীনতা আন্দোলনের এই কীর্তিমান পুরুষ,মহান নেতা মৃত্যুবরণ করেন।
মুসলিম লীগের নেতারা হুসাইন আহমদ মাদানীর দর্শন মেনে নিলে আজ ভারতীয় মুসলিমদের এভাবে সংখ্যালঘু হয়ে এনআরসি নিয়ে সংগ্রাম করতে হতো না।

লেখক: শিক্ষক,

বালু তুলতে গিয়ে তারের ক্ষতি, ইন্টারনেটে ধীরগতিনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাপ্রকাশ: ০৯ আগস্ট ২০২০, ১৬:৫৬আপডেট: ০৯ আগস্ট ২০২০, ১৭:১৭বালু তুলতে গিয়ে তারের ক্ষতি, ইন্টারনেটে ধীরগতিবালু তুলতে গিয়ে দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল লাইন মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দেশজুড়ে ইন্টারনেট সেবা বিঘ্নিত হচ্ছে। গ্রাহকেরা ইন্টারনেটের ধীরগতির সমস্যায় পড়ছেন।আজ রোববার দুপুরে পটুয়াখালীতে এ ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মশিউর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, স্থানীয় লোকজন এক্সকাভেটর দিয়ে বালু তুলতে গিয়ে সাবমেরিন কেবলের (এসইএ-এমই-ডব্লিউই-৫) পাওয়ার সাপ্লাই ও অপটিক্যাল ফাইবার ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। কতটুকু ক্ষতি হয়েছে, তা যাচাইয়ের কাজ চলছে। এরপর বলা যাবে কখন ইন্টারনেটের ধীরগতির সমস্যার সমাধান হবে।দেশে যে ব্যান্ডউইথ ব্যবহার করা হয়, তার প্রায় অর্ধেক দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল থেকে সরবরাহ করা হয়। ফলে এটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া দেশের জন্য বিপদের কারণ। খবর পেয়েই মশিউর রহমান পটুয়াখালীর উদ্দেশে রওনা হন। বিকেল সোয়া চারটার দিকে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, সাবমেরিন কেবল মাটির অনেক গভীরে। যারা কাজটি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।বাংলাদেশে ২০০৫ সালে প্রথম সাবমেরিন কেবল ‘সি-মি-উই-৪’ এ যুক্ত হয়। এরপর ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল ল্যান্ডিং স্টেশনের মাধ্যমে সি-মি-উই-৫ সাবমেরিন কেবলে যুক্ত হয়। এর মাধ্যমে সাউথইস্ট এশিয়া-মিডলইস্ট-ওয়েস্টার্ন ইউরোপ আন্তর্জাতিক কনসোর্টিয়ামের সাবমেরিন কেবল থেকে সেকেন্ডে ১ হাজার ৫০০ গিগাবাইট (জিবি) গতির ব্যান্ডউইথ পায় বাংলাদেশ।ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি) অপারেটর ফাইবার অ্যাট হোমের প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা সুমন আহমেদ সাবির প্রথম আলোকে বলেন, দেশের মোট ব্যান্ডউইথ চাহিদার ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ আসে সি-মি-উই-৫ দিয়ে। সেটি ঠিক না হওয়া পর্যন্ত ইন্টারনেটের ধীরগতি থাকবে।পাঠকের মন্তব্যআরও পড়ুনযাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছেযাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হচ্ছেদৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে লঞ্চ চলাচল বন্ধদৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে লঞ্চ চলাচল বন্ধঈদ ঘিরে বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায়ে রেকর্ডঈদ ঘিরে বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায়ে রেকর্ডভাঙা সড়ক, গাড়িতেই তিন সন্তান প্রসবভাঙা সড়ক, গাড়িতেই তিন সন্তান প্রসবআইন প্রয়োগে অনিশ্চয়তা কাটছে নাসড়ক নিরাপত্তাআইন প্রয়োগে অনিশ্চয়তা কাটছে নাসেই দিনের স্মৃতি এখনো তাড়া করে ফেরে ১২ শিক্ষার্থীকেসেই দিনের স্মৃতি এখনো তাড়া করে ফেরে ১২ শিক্ষার্থীকেলকডাউনে দুই টোল প্লাজাতে ৭০ কোটি টাকা কম আয়লকডাউনে দুই টোল প্লাজাতে ৭০ কোটি টাকা কম আয়টার্মিনাল ফাঁকা, যাত্রী কমটার্মিনাল ফাঁকা, যাত্রী কমসেতুতে উঠতে দীর্ঘ সাঁকো পারের কসরতসেতুতে উঠতে দীর্ঘ সাঁকো পারের কসরত১০ ঘণ্টা পর ঢাকার সঙ্গে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক১০ ঘণ্টা পর ঢাকার সঙ্গে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিকনিরাপদ সড়ক আন্দোলনের সময় করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিনিরাপদ সড়ক আন্দোলনের সময় করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিকলাপাড়ার সঙ্গে ঢাকার দোতলা লঞ্চ চলাচল শুরুকলাপাড়ার সঙ্গে ঢাকার দোতলা লঞ্চ চলাচল শুরুউদ্বোধনের আগেই ধসে গেল সেতুর সংযোগ সড়কউদ্বোধনের আগেই ধসে গেল সেতুর সংযোগ সড়কসড়ক দুর্ঘটনা রোধে ভ্যানচালকের উদ্যোগসড়ক দুর্ঘটনা রোধে ভ্যানচালকের উদ্যোগমঙ্গলবার থেকে রাজশাহীতে ফ্লাইট চলাচল শুরুমঙ্গলবার থেকে রাজশাহীতে ফ্লাইট চলাচল শুরু© স্বত্ব প্রথম আলো ১৯৯৮ – ২০২০সম্পাদক ও প্রকাশক: মতিউর রহমানবালু তুলতে গিয়ে তারের ক্ষতি, ইন্টারনেটে ধীরগতিনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাপ্রকাশ: ০৯ আগস্ট ২০২০, ১৬:৫৬আপডেট: ০৯ আগস্ট ২০২০, ১৭:১৭বালু তুলতে গিয়ে তারের ক্ষতি, ইন্টারনেটে ধীরগতিবালু তুলতে গিয়ে দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল লাইন মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দেশজুড়ে ইন্টারনেট সেবা বিঘ্নিত হচ্ছে। গ্রাহকেরা ইন্টারনেটের ধীরগতির সমস্যায় পড়ছেন।আজ রোববার দুপুরে পটুয়াখালীতে এ ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মশিউর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, স্থানীয় লোকজন এক্সকাভেটর দিয়ে বালু তুলতে গিয়ে সাবমেরিন কেবলের (এসইএ-এমই-ডব্লিউই-৫) পাওয়ার সাপ্লাই ও অপটিক্যাল ফাইবার ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। কতটুকু ক্ষতি হয়েছে, তা যাচাইয়ের কাজ চলছে। এরপর বলা যাবে কখন ইন্টারনেটের ধীরগতির সমস্যার সমাধান হবে।দেশে যে ব্যান্ডউইথ ব্যবহার করা হয়, তার প্রায় অর্ধেক দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল থেকে সরবরাহ করা হয়। ফলে এটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া দেশের জন্য বিপদের কারণ। খবর পেয়েই মশিউর রহমান পটুয়াখালীর উদ্দেশে রওনা হন। বিকেল সোয়া চারটার দিকে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, সাবমেরিন কেবল মাটির অনেক গভীরে। যারা কাজটি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।বাংলাদেশে ২০০৫ সালে প্রথম সাবমেরিন কেবল ‘সি-মি-উই-৪’ এ যুক্ত হয়। এরপর ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল ল্যান্ডিং স্টেশনের মাধ্যমে সি-মি-উই-৫ সাবমেরিন কেবলে যুক্ত হয়। এর মাধ্যমে সাউথইস্ট এশিয়া-মিডলইস্ট-ওয়েস্টার্ন ইউরোপ আন্তর্জাতিক কনসোর্টিয়ামের সাবমেরিন কেবল থেকে সেকেন্ডে ১ হাজার ৫০০ গিগাবাইট (জিবি) গতির ব্যান্ডউইথ পায় বাংলাদেশ।ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি) অপারেটর ফাইবার অ্যাট হোমের প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা সুমন আহমেদ সাবির প্রথম আলোকে বলেন, দেশের মোট ব্যান্ডউইথ চাহিদার ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ আসে সি-মি-উই-৫ দিয়ে। সেটি ঠিক না হওয়া পর্যন্ত ইন্টারনেটের ধীরগতি থাকবে।পাঠকের মন্তব্যআরও পড়ুনযাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছেযাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হচ্ছেদৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে লঞ্চ চলাচল বন্ধদৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে লঞ্চ চলাচল বন্ধঈদ ঘিরে বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায়ে রেকর্ডঈদ ঘিরে বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায়ে রেকর্ডভাঙা সড়ক, গাড়িতেই তিন সন্তান প্রসবভাঙা সড়ক, গাড়িতেই তিন সন্তান প্রসবআইন প্রয়োগে অনিশ্চয়তা কাটছে নাসড়ক নিরাপত্তাআইন প্রয়োগে অনিশ্চয়তা কাটছে নাসেই দিনের স্মৃতি এখনো তাড়া করে ফেরে ১২ শিক্ষার্থীকেসেই দিনের স্মৃতি এখনো তাড়া করে ফেরে ১২ শিক্ষার্থীকেলকডাউনে দুই টোল প্লাজাতে ৭০ কোটি টাকা কম আয়লকডাউনে দুই টোল প্লাজাতে ৭০ কোটি টাকা কম আয়টার্মিনাল ফাঁকা, যাত্রী কমটার্মিনাল ফাঁকা, যাত্রী কমসেতুতে উঠতে দীর্ঘ সাঁকো পারের কসরতসেতুতে উঠতে দীর্ঘ সাঁকো পারের কসরত১০ ঘণ্টা পর ঢাকার সঙ্গে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক১০ ঘণ্টা পর ঢাকার সঙ্গে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিকনিরাপদ সড়ক আন্দোলনের সময় করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিনিরাপদ সড়ক আন্দোলনের সময় করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিকলাপাড়ার সঙ্গে ঢাকার দোতলা লঞ্চ চলাচল শুরুকলাপাড়ার সঙ্গে ঢাকার দোতলা লঞ্চ চলাচল শুরুউদ্বোধনের আগেই ধসে গেল সেতুর সংযোগ সড়কউদ্বোধনের আগেই ধসে গেল সেতুর সংযোগ সড়কসড়ক দুর্ঘটনা রোধে ভ্যানচালকের উদ্যোগসড়ক দুর্ঘটনা রোধে ভ্যানচালকের উদ্যোগমঙ্গলবার থেকে রাজশাহীতে ফ্লাইট চলাচল শুরুমঙ্গলবার থেকে রাজশাহীতে ফ্লাইট চলাচল শুরু© স্বত্ব প্রথম আলো ১৯৯৮ – ২০২০সম্পাদক ও প্রকাশক: মতিউর রহমান